২০ জন সদস্যের একটি সম্মিলিত উদ্যোগ — যেখানে আপনি নিজেই আপনার খাদ্যের মালিক। কোনো বাজার নয়, কোনো ভেজাল নয়।
গাইবান্ধার উর্বর মাটিতে সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থার মাধ্যমে ধান, তেল, মাছ, মাংস এবং শাকসবজি উৎপাদন করে সদস্যদের পরিবারে সরাসরি পৌঁছে দেওয়া হবে।
একই জমিতে ধান, সরিষা, শাকসবজি চাষের পাশাপাশি গরু পালন, হাঁস-মুরগি এবং মাছ চাষ করা হবে। এতে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হবে।
ঢাকা ও স্থানীয় পরিবারগুলোতে সপ্তাহে একবার তাজা শাকসবজি, ডিম এবং মৌসুমি পণ্য সরাসরি ঘরে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।
দেশীয় গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগি পালনের মাধ্যমে মাংস ও দুধের চাহিদা পূরণ। পুকুরে মাছ চাষ করে বার্ষিক মাছের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে।
কেঁচো সার ও গোবর সার ব্যবহার করে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চাষ হবে। কোনো রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহার করা হবে না।
২০ জন সদস্য মিলে একটি পরিচালনা কমিটি গঠন করবেন। প্রতি মাসে স্বচ্ছ হিসাবনিকাশ এবং উৎপাদনের আপডেট সদস্যদের কাছে পাঠানো হবে।
আমন ধানের ফলন প্রতিটি পরিবারের বার্ষিক চাহিদা মেটাবে। সরিষার তেল ও মুসুর ডালও বার্ষিক হিসেবে বিতরণ করা হবে।
প্রতিটি পরিবারের জন্য একবারের বিনিয়োগে সারা বছর খাঁটি খাবারের নিশ্চয়তা।
| খরচের খাত | পরিমাণ (৳) |
|---|---|
| জমি প্রস্তুত ও ইজারা (বার্ষিক) | ২০,০০০ |
| বীজ ও চারা ক্রয় | ৮,০০০ |
| পশু ক্রয় (গরু, হাঁস-মুরগি) | ২৫,০০০ |
| মাছের পোনা ও পুকুর প্রস্তুতি | ১০,০০০ |
| সেচ ও কৃষি যন্ত্রপাতি | ১৫,০০০ |
| শ্রমিক ও ব্যবস্থাপনা | ১২,০০০ |
| জরুরি/রিজার্ভ ফান্ড | ১০,০০০ |
| মোট বিনিয়োগ | ১,০০,০০০ ৳ |
বার্ষিক চাল: একটি পরিবারের সারা বছরের মোটা চালের প্রয়োজন মেটাবে (৩০–৪০ কেজি/মাস)
সরিষার তেল: বছরে প্রায় ১৫–২০ লিটার খাঁটি সরিষার তেল
মাছ ও মাংস: মাসে অন্তত একবার করে সারা বছর তাজা মাছ ও মাংস
সাপ্তাহিক সবজি: মৌসুমি শাকসবজি সপ্তাহে একবার হোম ডেলিভারি
ডিম: প্রতি সপ্তাহে হাঁসের ও মুরগির ডিম
বাজার খরচ শূন্য: প্রধান খাদ্যপণ্যে বার্ষিক ৮০,০০০–১,২০,০০০ টাকা সাশ্রয়
ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর পলি বাহিত উর্বর মাটিতে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চাষ করলে উৎপাদন কম হয় না — বরং খাবারের গুণগত মান অনেক বেশি হয়।
বর্জ্য থেকে সম্পদ:
গরুর গোবর → বায়োগ্যাস + ভার্মিকম্পোস্ট → জৈব সার → ফসল
সারা বছর জুড়ে কী কী উৎপাদিত হবে তার একটি পরিকল্পিত সময়সূচি।
একটি ৪ সদস্যের পরিবারের সারা বছর যে মৌলিক খাদ্যপণ্য লাগে, বাজারে সেটার দাম কত আর কমিউনিটি মডেলে কতটুকু পাবেন — সম্পূর্ণ তুলনা।
| খাদ্যপণ্য | বার্ষিক চাহিদা | বাজার মূল্য | কমিউনিটি মূল্য | সাশ্রয় | সঞ্চয়ের হার |
|---|---|---|---|---|---|
| মোট বার্ষিক হিসাব (১টি পরিবার, ৪ সদস্য) | ১,৬৯,৫০০ ৳ | ৬০,০০০ ৳ | ১,০৯,৫০০ ৳ | ~৬৫% সাশ্রয় | |
* বাজারমূল্য ২০২৪–২৫ অর্থবছরের ঢাকার গড় খুচরা মূল্যের ভিত্তিতে নির্ধারিত। কমিউনিটি মূল্যে শুধু মাসিক রক্ষণাবেক্ষণ ফি (৫,০০০ ৳/মাস) ধরা হয়েছে। চাল, তেল, মাছ, মাংস ও সবজি সরাসরি খামার থেকে পাওয়া যাবে — আলাদা কোনো মূল্য নেই।
আপনার পরিবারের তথ্য দিন, দেখুন বাজার থেকে কতটা সাশ্রয় হবে
* এটি একটি আনুমানিক হিসাব। প্রকৃত সাশ্রয় বাজারমূল্যের উপর নির্ভর করে পরিবর্তন হতে পারে।
ফর্মটি পূরণ করুন — আপনার তথ্য সহ একটি বার্তা সরাসরি আমাদের WhatsApp-এ যাবে। আমরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যোগাযোগ করব।
🔒 আপনার তথ্য শুধুমাত্র এই প্রজেক্টের জন্য ব্যবহার হবে।